এই লেখায় যা আছে
- সংক্ষেপে (Quick Verdict)
- Redmi Note 15 Pro Plus: সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন ও ভেরিয়েন্ট তুলনা
- Note 15 Pro Plus China বনাম International Global: আসল পার্থক্য কোথায়?
- ডিজাইন, বিল্ড কোয়ালিটি ও ডিসপ্লে অভিজ্ঞতা
- পারফরম্যান্স, গেমিং ও স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট
- একই বাজেটে সেরা কিছু বিকল্প (Alternatives to Consider)
- বাংলাদেশে কেনার আগে যা মাথায় রাখবেন (ওয়ারেন্টি ও ভেরিয়েন্ট গাইড)
- চূড়ান্ত মতামত
মিড-রেঞ্জ বাজেটে যারা প্রিমিয়াম ডিজাইন, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং ভালো ক্যামেরার একটি নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য redmi note 15 pro plus ২০২৬ সালের অন্যতম সেরা একটি অপশন। এই ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে নতুন Snapdragon 7s Gen 4 প্রসেসর, 6.83-inch 1.5K AMOLED ডিসপ্লে এবং সর্বোচ্চ IP69K ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স রেটিং। তবে বাংলাদেশের বাজারে ফোনটির note 15 pro plus china এবং note 15 pro plus international global—উভয় ভেরিয়েন্টই পাওয়া যাচ্ছে, যেগুলোর ক্যামেরা ও ব্যাটারি স্পেসিফিকেশনে বেশ বড় পার্থক্য রয়েছে।
একজন সাধারণ xiaomi mobile u বা শাওমি ব্যবহারকারী হিসেবে কোন ভার্সনটি আপনার কাজের ধরনের সাথে মানানসই হবে, তা না জেনে কিনলে পরবর্তীতে আফসোস হতে পারে। এই গাইডে আমরা ফোনটির উভয় ভেরিয়েন্টের তুলনা, বাস্তব পারফরম্যান্স এবং কেনার আগে জরুরি বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করব।
Available at XeeroRedmi Note 15 Pro Plus৳39,990 – ৳42,999EMIIn stockViewসংক্ষেপে (Quick Verdict)
আপনি যদি সরাসরি সিদ্ধান্ত নিতে চান যে note 15 pro plus আপনার জন্য কিনা, তবে নিচের পয়েন্টগুলো দেখে নিন:
- কাদের জন্য সেরা: যারা এক চার্জে দেড় থেকে দুই দিন ফোন চালাতে চান, রোদে বা বৃষ্টিতে রাফ ইউজ করেন এবং ঝকঝকে ডিসপ্লেতে কন্টেন্ট দেখতে পছন্দ করেন।
- কোন ভেরিয়েন্ট কিনবেন: আপনি যদি পোর্ট্রেট ও জুম ফটোগ্রাফি পছন্দ করেন এবং বিশাল 7000mAh ব্যাটারি চান, তবে note 15 pro plus china ভার্সনটি বেছে নিন। আর যদি অফিশিয়াল Google সেবা, Grameenphone বা Robi-তে eSIM সুবিধা, এবং 200MP মেইন ক্যামেরার সাথে 100W দ্রুত চার্জিং চান, তবে note 15 pro plus international global ভার্সন আপনার জন্য সেরা।
- যাদের জন্য নয়: যারা এই বাজেটে হার্ডকোর গেমিং (যেমন একটানা সর্বোচ্চ গ্রাফিক্সে PUBG বা Genshin Impact) করার জন্য ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি নয়। ভারী গেমিংয়ের জন্য Redmi K80 বা POCO X7 Pro দেখা ভালো।

Redmi Note 15 Pro Plus: সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন ও ভেরিয়েন্ট তুলনা
চীনে ২০২৫ সালের আগস্টে এবং গ্লোবাল ও বাংলাদেশের বাজারে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে (as of November 2026) এই ফোনটি উন্মুক্ত করা হয়। পূর্বের নোট সিরিজগুলোর মতো এবারও শাওমি তাদের চাইনিজ ও গ্লোবাল ভেরিয়েন্টের হার্ডওয়্যারে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। নিচের টেবিলে দুটি ভার্সনের মূল পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
| ফিচার (Feature) | Redmi Note 15 Pro Plus (Global Version) | Redmi Note 15 Pro Plus (China Version) |
|---|---|---|
| ডিসপ্লে (Display) | 6.83" 1.5K (1280x2772) AMOLED, 120Hz, 3200 nits | 6.83" 1.5K (1220x2772) AMOLED, 120Hz, 3200 nits |
| প্রোটেকশন (Protection) | Corning Gorilla Glass Victus 2 | Xiaomi Dragon Crystal Glass |
| প্রসেসর (Chipset) | Qualcomm Snapdragon 7s Gen 4 (4nm) | Qualcomm Snapdragon 7s Gen 4 (4nm) |
| মেইন ক্যামেরা (Main Camera) | 200MP HPE (1/1.4" sensor, OIS) + 8MP Ultrawide | 50MP Light Hunter 800 (OIS) + 50MP Telephoto (2.5x) + 8MP Ultrawide |
| সেলফি ক্যামেরা (Selfie) | 32MP | 32MP |
| ব্যাটারি ও চার্জিং (Battery) | 6500mAh Silicon-Carbon, 100W HyperCharge | 7000mAh Silicon-Carbon, 90W Fast Charging |
| র্যাম ও স্টোরেজ (RAM/ROM) | 8GB/256GB, 12GB/256GB, 12GB/512GB (UFS 2.2) | 12GB/256GB, 16GB/512GB, 16GB/1TB (UFS 2.2) |
| কানেক্টিভিটি (Connectivity) | 5G, Wi-Fi 6E, Bluetooth 5.4, Dual SIM + eSIM | 5G, Wi-Fi 6, Bluetooth 5.4, Dual Physical SIM (No eSIM) |
| বডি ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স | 8.2mm, 207g, IP68 / IP69K রেটিং | 7.9mm, IP68 / IP69K রেটিং |
| সফটওয়্যার (Software) | Android 15 (HyperOS), Android 16 (HyperOS 3) আপডেটযোগ্য | Android 15 (HyperOS CN), Android 16 (HyperOS 3) আপডেটযোগ্য |
Note 15 Pro Plus China বনাম International Global: আসল পার্থক্য কোথায়?
বাংলাদেশের বাজারে কেনার সময় ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি দ্বিধায় পড়েন note 15 pro plus china এবং note 15 pro plus international global ভেরিয়েন্ট নিয়ে। কাগজে-কলমে নাম এক হলেও ভেতরের অভিজ্ঞতায় বেশ তফাৎ রয়েছে।
১. ক্যামেরা: 200MP সেন্সর বনাম 50MP টেলিফটো লেন্স
গ্লোবাল ভার্সনে শাওমি ব্যবহার করেছে একটি নতুন 200MP HPE মেইন সেন্সর (1/1.4-inch), যা ইন-সেন্সর জুমের মাধ্যমে 2x এবং 4x অপটিক্যাল-লেভেল জুম দেয়। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে দারুণ ডিটেইলস পাওয়া যায়। কিন্তু এতে কোনো ডেডিকেটেড টেলিফটো লেন্স নেই।
অন্যদিকে, চাইনিজ ভেরিয়েন্টে রয়েছে 50MP OmniVision Light Hunter 800 মেইন সেন্সর এবং এর সাথে একটি ডেডিকেটেড 50MP 2.5x অপটিক্যাল জুম টেলিফটো লেন্স। পোর্ট্রেট ছবি তোলার ক্ষেত্রে চাইনিজ ভার্সনের 50MP টেলিফটো লেন্স গ্লোবাল ভার্সনের ডিজিটাল ক্রপের চেয়ে অনেক বেশি ন্যাচারাল বোকেহ (Background Blur) এবং শার্পনেস দেয়।
২. ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং চার্জিং স্পিড
দুটি ফোনেই আধুনিক Silicon-Carbon (SiC) প্রযুক্তির ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোনের পুরুত্ব না বাড়িয়েই বেশি ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। চাইনিজ ভার্সনে রয়েছে বিশাল 7000mAh ব্যাটারি এবং 90W চার্জিং। মজার ব্যাপার হলো, 7000mAh ব্যাটারি হওয়া সত্ত্বেও চাইনিজ ভার্সনটি গ্লোবাল ভার্সনের (8.2mm) চেয়ে কিছুটা পাতলা (7.9mm)।
গ্লোবাল ভার্সনে ব্যাটারি সামান্য কমিয়ে 6500mAh করা হয়েছে, তবে চার্জিং স্পিড বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে 100W HyperCharge। দুটি ফোনেই 22.5W রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং সাপোর্ট রয়েছে, যা দিয়ে জরুরি সময়ে ইয়ারবাড বা অন্য ফোন চার্জ দেওয়া যায়।
৩. নেটওয়ার্ক, eSIM এবং সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক পার্থক্য দেখা যায় সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্কে। গ্লোবাল ভার্সনে আপনি পাচ্ছেন eSIM সাপোর্ট (যা Grameenphone, Robi এবং Banglalink-এ সহজেই ব্যবহারযোগ্য), Wi-Fi 6E এবং ফ্যাক্টরি থেকেই Google Play Store, Google Gemini ও Circle to Search ফিচার।
চাইনিজ ভার্সনে শুধুমাত্র দুটি ফিজিক্যাল সিম কার্ড ব্যবহার করা যায়, কোনো eSIM সাপোর্ট নেই। এছাড়া চাইনিজ রমে কিছু অপ্রয়োজনীয় চাইনিজ অ্যাপ (Bloatware) থাকে এবং নোটিফিকেশন আসার ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে সামান্য বিলম্ব হতে পারে, যদিও ম্যানুয়ালি Google Play Services ইনস্টল করে সব বাংলাদেশি ব্যাংকিং ও দৈনন্দিন অ্যাপ চালানো যায়। (As of November 2026, উভয় ভেরিয়েন্টেই Android 16 ভিত্তিক HyperOS 3 আপডেট চলে এসেছে।)

ডিজাইন, বিল্ড কোয়ালিটি ও ডিসপ্লে অভিজ্ঞতা
Redmi Note সিরিজের ফোনগুলো এখন আর কেবল বাজেট ডিভাইসের মতো দেখায় না। Redmi Note 15 Pro Plus-এর সামনে রয়েছে কার্ভড এজ বা সামান্য বাঁকানো 6.83-inch ডিসপ্লে এবং পেছনে ফাইবারগ্লাস ব্যাক প্যানেল, যা হাত থেকে পড়লে শক অ্যাবজর্ব করতে সাহায্য করে।
এই ফোনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর স্থায়িত্ব। এতে একই সাথে IP66, IP68 এবং সর্বোচ্চ IP69K রেটিং দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ধুলোবালি তো বটেই, এমনকি উচ্চ চাপের গরম পানির ঝাপটা বা ২ মিটার গভীর পানিতে ২৪ ঘণ্টা থাকলেও ফোনটির ক্ষতি হবে না। বাংলাদেশের বর্ষাকালে যারা বাইরে কাজ করেন বা বাইক চালান, তাদের জন্য এতে "Wet Touch 2.0" প্রযুক্তি রয়েছে, ফলে স্ক্রিন বা হাত ভেজা থাকলেও টাচ নিখুঁতভাবে কাজ করে।
ডিসপ্লের ক্ষেত্রে 1.5K রেজোলিউশনের 12-bit OLED প্যানেলে 3200 nits পিক ব্রাইটনেস দেওয়া হয়েছে। ঢাকার কড়া রোদে বাইরে দাঁড়িয়ে ফোনের স্ক্রিন দেখতে কোনো সমস্যা হয় না। পাশাপাশি চোখের আরামের জন্য এতে 3840Hz হাই-ফ্রিকোয়েন্সি PWM ডিমিং এবং বিনোদনের জন্য Dolby Vision ও HDR10+ সাপোর্ট রয়েছে। স্টেরিও স্পিকারে 400% ভলিউম বুস্ট মোড থাকায় কোলাহলপূর্ণ পরিবেশেও কল বা ভিডিওর শব্দ স্পষ্ট শোনা যায়।
পারফরম্যান্স, গেমিং ও স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট
ফোনটিতে শক্তি জোগাতে ব্যবহৃত হয়েছে কোয়ালকমের 4nm প্রযুক্তির অক্টা-কোর প্রসেসর Snapdragon 7s Gen 4 (যার প্রাইম কোর 2.7GHz পর্যন্ত ক্লক স্পিড দেয়) এবং সাথে রয়েছে Adreno 810 GPU। ফোনকে ঠান্ডা রাখতে ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে 5200mm² ভ্যাপার চেম্বার বা Xiaomi IceLoop কুলিং সিস্টেম।
দৈনন্দিন কাজে, যেমন ফেসবুক ব্রাউজিং, ইউটিউব, মাল্টিটাস্কিং বা ছবি এডিটিংয়ে কোনো ল্যাগ বা ধীরগতি চোখে পড়ে না। তবে একজন অভিজ্ঞ রিভিউয়ার হিসেবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার: এর স্টোরেজ টাইপ এখনো UFS 2.2 (যদিও এর রিড-রাইট স্পিড প্রায় 1000MB/s পর্যন্ত) এবং র্যাম LPDDR4X।
আপনি যদি ক্যাজুয়াল গেমার হন—মাঝে মাঝে PUBG Mobile, Free Fire বা eFootball খেলেন—তবে ফোনটি খুব ভালোভাবেই সামলে নেবে এবং IceLoop কুলিংয়ের কারণে সহজে গরম হবে না। কিন্তু আপনার মূল উদ্দেশ্য যদি হয় শুধুমাত্র হেভি গেমিং বা বেঞ্চমার্ক স্কোর, তবে মনে রাখবেন Snapdragon 7s Gen 4 মূলত ব্যাটারি এফিশিয়েন্সি ও স্থিতিশীলতার জন্য তৈরি, ফ্ল্যাগশিপ কিলার পারফরম্যান্সের জন্য নয়।

একই বাজেটে সেরা কিছু বিকল্প (Alternatives to Consider)
আপনার কাজের ধরন যদি একটু আলাদা হয়, তবে কেনার আগে এই বাজেটের আশেপাশের অন্য কয়েকটি জনপ্রিয় মডেল দেখে নিতে পারেন:
- ছোট ভাই ও সাশ্রয়ী অপশন: আপনার বাজেট যদি কিছুটা কম হয় কিন্তু একই রকম মজবুত বিল্ড কোয়ালিটি ও ডিসপ্লে চান, তবে Dimensity 7400 Ultra চিপসেট এবং 6580mAh (গ্লোবাল) / 7000mAh (চায়না) ব্যাটারির Redmi Note 15 Pro দেখতে পারেন। এছাড়া বেসিক 5G ব্যবহারের জন্য Redmi Note 15 5G একটি ভালো পছন্দ।
Available at XeeroRedmi Note 15 Pro৳33,499 – ৳41,499EMIIn stockView
Available at XeeroRedmi Note 15 5G৳25,499 – ৳33,499EMIIn stockView- যাদের মূল লক্ষ্য হেভি গেমিং: এই বাজেটের আশেপাশে যদি প্রসেসর ও গেমিং পারফরম্যান্স আপনার প্রথম পছন্দ হয়, তবে POCO X7 Pro কিংবা আরও শক্তিশালী Redmi K80 বিবেচনা করতে পারেন।
Available at XeeroRedmi K80৳46,499EMIIn stockView- ক্লিন সফটওয়্যার ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার: আপনি যদি শাওমির HyperOS-এর বদলে ওয়ানপ্লাসের OxygenOS বা স্যামসাংয়ের One UI পছন্দ করেন, তবে এই রেঞ্জে OnePlus Nord 5 (Snapdragon 8s Gen 3 সহ) অথবা Samsung Galaxy A56 চমৎকার বিকল্প। এছাড়া আগের জেনারেশনের REDMI NOTE 14 PRO PLUS এখন আরও সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে।
Available at XeeroOnePlus Nord 5৳47,999EMIOut of stockView
Available at XeeroSamsung Galaxy A56৳41,999 – ৳47,499EMIIn stockView
Available at XeeroREDMI NOTE 14 PRO PLUS৳34,800 – ৳39,800EMIIn stockViewবাংলাদেশে কেনার আগে যা মাথায় রাখবেন (ওয়ারেন্টি ও ভেরিয়েন্ট গাইড)
বাংলাদেশে (as of November 2026) স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে অফিশিয়াল এবং আনঅফিশিয়াল বা ইমপোর্টেড (Global ও China)—উভয় ধরনের ইউনিটই বাজারে পাওয়া যায়। কেনার আগে নিচের বিষয়গুলো যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ:
১. সঠিক ভেরিয়েন্ট নির্বাচন: দোকানে গিয়ে বা অনলাইনে অর্ডার করার সময় বক্স দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন সেটি Global ROM নাকি China ROM। অনেক সময় অসাধু বিক্রেতারা চাইনিজ ভার্সনের ফোনে আনঅফিশিয়ালি গ্লোবাল রম ফ্ল্যাশ করে গ্লোবাল বলে বিক্রি করে। মনে রাখবেন, ফ্ল্যাশ করা রমে পরবর্তীতে OTA সফটওয়্যার আপডেট এবং ব্যাংকিং অ্যাপ বা Google Wallet কাজ করতে সমস্যা হয়। তাই কিনলে হয় সিলড প্যাক অরিজিনাল Global ভার্সন কিনুন, অথবা অরিজিনাল China ভার্সন জেনে বুঝে কিনুন। ২. নেটওয়ার্ক ও BTRC নিয়মকানুন: বাংলাদেশের সব মোবাইল অপারেটরের 4G এবং 5G ব্যান্ডের সাথে Global ভার্সনটি শতভাগ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইমপোর্টেড ফোন কেনার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত শপ থেকে কেনা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো নেটওয়ার্ক বা ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত সহায়তা সহজে পাওয়া যায়। ৩. আসল চার্জার ও বক্স কন্টেন্ট: বক্সের ভেতরে অরিজিনাল 100W (Global) বা 90W (China) চার্জার অ্যাডাপ্টার এবং ক্যাবল ঠিকমতো আছে কিনা তা মিলিয়ে নিন।
আপনি যদি শতভাগ জেনুইন এবং সিলড বক্স Redmi Note 15 Pro Plus খুঁজে থাকেন, তবে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল ৪-এ (Block D, Shop 23B) অবস্থিত Xeero শপে সরাসরি এসে দুটি ভেরিয়েন্টই হাতে নিয়ে দেখে নিতে পারেন। এছাড়া ঘরে বসে সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি, নির্ভরযোগ্য ওয়ারেন্টি এবং সহজ কিস্তি বা EMI সুবিধায় ফোনটি কিনতে ভিজিট করতে পারেন Xeero-এর ওয়েবসাইটে অথবা যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের WhatsApp নাম্বারে (01615316431)।

চূড়ান্ত মতামত
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টে redmi note 15 pro plus এমন একটি স্মার্টফোন যা চমকের চেয়ে বাস্তব ব্যবহারের সুবিধাকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। এর 6500mAh/7000mAh ব্যাটারি, IP69K ওয়াটারপ্রুফ রেটিং এবং দারুণ উজ্জ্বল ডিসপ্লে এটিকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য একটি আদর্শ ফোনে পরিণত করেছে।
আপনি যদি ঝামেলামুক্ত সফটওয়্যার, eSIM এবং ৪টি মেজর অ্যান্ড্রয়েড আপডেটের নিশ্চয়তা চান, তবে চোখ বন্ধ করে এর International Global ভেরিয়েন্টটি বেছে নিন। আর যদি আপনার মূল আকর্ষণ থাকে পোর্ট্রেট টেলিফটো ক্যামেরা এবং আরও বড় ব্যাটারির দিকে, তবে China ভেরিয়েন্টটি আপনাকে মোটেও হতাশ করবে না।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
Redmi Note 15 Pro Plus এর China এবং Global ভার্সনের মূল পার্থক্য কী?
মূল পার্থক্য ক্যামেরা, ব্যাটারি এবং কানেক্টিভিটিতে। Global ভার্সনে রয়েছে 200MP মেইন ক্যামেরা, 6500mAh ব্যাটারি, 100W চার্জিং এবং eSIM সাপোর্ট। অন্যদিকে China ভার্সনে রয়েছে 50MP মেইন ক্যামেরার সাথে একটি 50MP 2.5x টেলিফটো জুম লেন্স, 7000mAh ব্যাটারি এবং 90W চার্জিং, তবে এতে eSIM নেই।
Redmi Note 15 Pro Plus এ কি eSIM সাপোর্ট করে?
হ্যাঁ, তবে শুধুমাত্র International Global ভেরিয়েন্টে ডুয়াল ফিজিক্যাল সিমের পাশাপাশি eSIM সাপোর্ট রয়েছে, যা বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকে ব্যবহার করা যায়। এর চাইনিজ ভেরিয়েন্টে eSIM সুবিধা নেই।
এই ফোনে কোন প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?
ফোনটিতে 4nm প্রযুক্তির Qualcomm Snapdragon 7s Gen 4 প্রসেসর এবং Adreno 810 GPU ব্যবহার করা হয়েছে। এটি দৈনন্দিন কাজ ও ক্যাজুয়াল গেমিংয়ের জন্য খুবই স্থিতিশীল, তবে অতিরিক্ত ভারী গেমিংয়ের জন্য একই বাজেটের POCO X7 Pro বা OnePlus Nord 5 বেশি শক্তিশালী।
Redmi Note 15 Pro Plus কি সম্পূর্ণ ওয়াটারপ্রুফ?
ফোনটিতে IP66, IP68 এবং সর্বোচ্চ IP69K রেটিং রয়েছে। এর মানে এটি ধুলোবালি প্রতিরোধী এবং ২ মিটার গভীর পানিতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে, এমনকি বৃষ্টির পানিতে বা ভেজা হাতেও এর ডিসপ্লে কাজ করে।
ফোনটিতে কত বছর সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাবে?
শাওমির ঘোষণা অনুযায়ী Redmi Note 15 Pro Plus (Global)-এ ৪টি মেজর অ্যান্ড্রয়েড ওএস (OS) আপডেট পাওয়া যাবে। ফোনটি Android 15 সহ বাজারে আসলেও ইতিমধ্যে (as of November 2026) এতে Android 16 ও HyperOS 3 আপডেট এসেছে।
Redmi Note 15 Pro Plus এ কি মেমোরি কার্ড (MicroSD) ব্যবহার করা যায়?
না, এই ফোনে কোনো আলাদা MicroSD কার্ড স্লট নেই। তাই কেনার সময় আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী 256GB অথবা 512GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্ট বেছে নেওয়া উচিত।
কোনটা কিনবেন বুঝতে পারছেন না?
আমাদের এক্সপার্টকে WhatsApp-এ জিজ্ঞেস করুন — সঠিক দাম ও স্টকসহ।



